Week 41, 2023

ছোট ছোট স্টারটআপ গুলোয় যারা মুভ করছেন – তাঁদের জন্য কোম্পানি কালচার প্রেডিক্ট করা অনেক টাফ। এনাফ ইনফরমেশন থাকেনা। এক দুইজন পরিচিত থাকলেও তেমন ভোকাল থাকেনা জেহুতু ছোট সার্কেল।

এই কেইসগুলায় সবচাইতে সিম্পল এবং ইজি ট্রিক হচ্ছে এর ফাউন্ডার/ওউনার একটা খাসড়া পাবলিক কিনা সেইটা ডিটারমাইন করা। তাঁকে যদি সবাই স্যার স্যার করে – তাহলে এইটা একটা সমস্যা। টিম মেম্বাররা যদি স্যারের ব্যাপারে লিঙ্কডইন এ তেলবাজি করে – সেইটাও একটা সমস্যা। ফেইসবুকে “স্যার” যদি টিম মেম্বারদের ব্যাপারে গুটিবাজি করে – সেইটাও একটা সমস্যা। আর সবথেকে বড় সমস্যা – যদি দেখেন যে স্যার তাঁর কোম্পানির সব এচিভমেন্ট কে নিজের এচিভমেন্ট হিসেবে চালিয়ে সারাদিন বুক ফুলাচ্ছে – তাহলে ওইদিনই ভাগেন লাইফ নিয়ে।

কালচার জিনিষটা অনেক ইম্পরট্যান্ট। তবে ওউনার/ফাউন্ডার এর ম্যাচিউরিটি এর থেকেও বেশী ইম্পরট্যান্ট।

=

For those who are moving to small startups, it is very difficult to predict the company culture. There is never enough information. Even if you find a few acquaintances who work there, they are not very vocal because it is too small a small circle to remain anonymous.

In these cases, the simplest and easiest trick is to determine whether the founder/owner is a jerk in public. If everyone calls him “Sir,” it is a problem. If team members flatter the “Sir” on LinkedIn, that is also a problem. If the “Sir” flatters team members on Facebook, that is also a problem. And the biggest problem is if you see that the “Sir” is blowing his chest all day long, touting all the achievements of his company as his own achievements.

Culture is very important. However, the maturity of the owner/founder is more important than that.